বিএনপির আন্দলোন যতই তীব্রতর হচ্ছে আওয়ামীলীগ এর নেতাকর্মীরা সংশয় প্রকাশ করছেন। এর আাগে আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতারা এসব কথা বললেও প্রধানমন্ত্রী এই প্রথম এই কথা বলেন।
আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার গনভবনে তৃনমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে বর্ধিত সভার আয়োজন করেন। আগামী নির্বাচন নিয়ে তৃনমূল নেতা কর্মীদের সাথে আলোচনা করেন এ সভায়। প্রধানমন্ত্রী ২০০১ সালের পরবর্তী সময়ের সংহিসতা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন আপনারা জানেন ২০০১ সালের পরবর্তী সময়ে দেশে কি হয়েছিলো তাই এবার ক্ষমতা না এলে কোনো নেতা কর্মীর পিঠের চামড়া থাকবে না, তাই সকলকে আগামী নির্বাচনের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।তিনি আরো বলেন,বিএনপি -জামাত অতীতের তুলনায় আরো সংহিসতা করবে।আপনারা যারা জেলা উপজেলার সভাপতি, সাধারন সম্পাদক এবং ভারপ্রাপ্ত তারা সবাই ভারমুক্ত করবেন। এসভায় উপস্থিত ছিলেন দেশের জেলা উপজেলার নেতাকর্মীরা। এসময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন তাদের স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে তাদের অনেক বিরোধ রয়েছে। তারা ক্ষমতার অপব্যয় করে, সাংগঠনিক ঐক্যবদ্ধর লক্ষে কাজ না করে বিলাসিতায় ব্যস্ত। তারা জনবিচ্ছন্ন হয়েছে। তাই তারা আওয়ামী লীগ সভাপতির প্রতি অনুরোধ করেন আগামীতে যেনো জনসম্পৃক্ততা আছে এমন কাউকে মনোনয়ন দেয়া হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন দল সবকিছু বিবেচনা করেই মনোনয়ন দেই , যে যোগ্য তাকেই মনোয়ন দেয়া হয় তাই দল থেকে যাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে তার সাথেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। কারন আগামীর নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠ, সুন্দর ও চ্যালেঞ্জিং হবে। বিএনপি-জামাতের অপশাসন তুলে ধরে জনগনের মনজয় করতে হবে। তিনি বলেন মাঝে -মাঝে খবরপাই নিজ এলাকার নিজ দলীয় সংসদ সদস্যাদের বিরুদ্ধেই অপপ্রচার চালানো শুরু করে, এগুলো ভুলে যেতে হবে সবাইকে আগে ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে হবে।

.jpg)
1 মন্তব্যসমূহ
right
উত্তরমুছুন